আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্ব কূটনীতির মঞ্চে এক অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইজরায়েলের সংসদ ‘কেনেসেট’-এ দাঁড়িয়ে ভাষণ দিয়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। ইজরায়েলের পবিত্র মাটিতে দাঁড়িয়ে মোদী কেবল দুই দেশের মৈত্রীর জয়গানই গাননি, বরং সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে বৈশ্বিক মঞ্চে কড়া অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
ভাষণের মূল নির্যাস: প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতার শুরুতেই ভারত ও ইজরায়েলের সম্পর্ককে ‘রক্তের বন্ধন’ হিসেবে অভিহিত করেন। তাঁর ভাষণের প্রধান দিকগুলো হলো:
- সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কড়া বার্তা: নাম না করে পাকিস্তানকে বিঁধে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, কোনো অজুহাতেই জঙ্গি কার্যকলাপকে সমর্থন করা যায় না। তিনি ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার (২৬/১১) ক্ষতের সঙ্গে ২০২৩ সালের হামাস হামলার ভয়াবহতাকে একসূত্রে গেঁথে বলেন, “সন্ত্রাসবাদের যন্ত্রণা ভারত খুব ভালোভাবে বোঝে।”
- গাজায় শান্তি প্রস্তাব: যুদ্ধের আবহে গাজায় শান্তি ফিরিয়ে আনার পক্ষে সওয়াল করেন মোদী। তিনি জানান, ভারত সবসময়ই শান্তির পক্ষে এবং মানবিকতা রক্ষায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
- ভবিষ্যৎ কূটনীতি: পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সমীকরণ আগামী দিনে কোন পথে এগোবে, মোদীর এই কেনেসেট ভাষণ থেকেই তার ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।
কূটনৈতিক তাৎপর্য: ইজরায়েলের সংসদ ভবনে মোদীর এই উপস্থিতি ভারত-ইজরায়েল কৌশলগত অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রীর এই ‘দৃপ্ত কণ্ঠ’ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকেই পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করল।
